ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving License) পাওয়ার ক্ষেত্রে নিয়মের পরিবর্তন করা হলো। আগে যেখানে লাইসেন্স পাওয়ার জন্য সাতটির মধ্যে একটি নথি জমা করতে হতো। এবার তার পরিবর্তে সেই নথির সংখ্যা বাড়িয়ে ১১ টি করা হলো। এই বিষয়টি একটি নির্দেশিকা জারি করার মাধ্যমে সবাইকে অবগত করানো হয়েছে।
নতুন এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে কোন ব্যক্তির কাছে যদি নাগরিকত্বের পরিচয় পত্র, চাকরির শংসাপত্র, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, বিদ্যুৎ অথবা জলের সংযোগের নথি, সংরক্ষিত ক্যাটাগরির সার্টিফিকেট, ট্রেড লাইসেন্স মোবাইল বিল, ও যারা স্বাধীনতার সংগ্রামে রয়েছে তাদের সরকারি সার্টিফিকেট, এই নদীগুলি থাকলেও তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া হবে।
এই সম্পর্কিত বিষয়ে এক ব্যক্তির মতামত, “স্থায়ী ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসেবে আগে সাতটি নথির মধ্যে একটি দিলেই লাইসেন্স মিলত। সবার সুবিধের জন্য সেটাই বাড়িয়ে ১১টি করা হয়েছে।”
মোটর ট্রেনিং স্কুলের প্রতিনিধিদের তরফ থেকে অনেকদিন ধরেই নথির সংখ্যা বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হচ্ছিল। এবার রাজের তরফ থেকে তাদের সেই ভাবিকে মান্যতা দেওয়া হলো। তাদের তরফ থেকে লাইসেন্স এর জন্য আবেদন সম্পর্কিত ডকুমেন্টসের ব্যাপারে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে সে সম্পর্কে সকল রাজ্যকে ইতিমধ্যেই অবগত করানো হয়েছে। এই বিষয়ে পরিবহণ দপ্তরের এক কর্তা বলেন, “নয়া নিয়মে লাইসেন্স পেতে সুবিধে হবে।” পরিবহন দপ্তর জানিয়েছে আবেদনের পর লাইসেন্স দিতে যাতে কোন রূপ দেরি না হয়। এই বিষয়টি তদারকির দায়িত্ব আধিকারিকদের দেওয়া হয়েছে।
উপরিউক্ত নির্দেশিকা ছাড়াও কেন্দ্রীয় পূর্ত-সড়ক ও পরিবহণ মন্ত্রকের তরফ থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স সম্পর্কিত আরো একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী আগে যেভাবে মানুষ বিভিন্ন সরকারি আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসে গিয়ে পরীক্ষা করতে যেত এবার তার পরিবর্তে নতুন নিয়ম করা হয়েছে।
এই নতুন নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ মানুষকে সরকারি আরটিও-র পরিবর্তে ব্যক্তিগত ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে গাড়ি পরীক্ষা করাতে হবে। সমস্ত দেশে এই নিয়ম আগামী জুন মাস থেকে কার্যকর করা হবে। একাধিক জন এই ব্যাপারে মন্তব্য করেছে বেসরকারি ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের হাতে এই দায়িত্ব তুলে দেওয়ার ফলে একাধিক অনিয়ম ও অপব্যবহার ঘটতে পারে।